বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই, বয়স হয়েছিল ৮৯

অনলাইন ডেস্ক:

ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এক যুগের অবিস্মরণীয় নায়ক ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ভোরে ৮৯ বছর বয়সে নিজের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলিউডের এই কিংবদন্তি অভিনেতা, যিনি ধর্মেন্দ্র সিং দিওল নামেও পরিচিত। ভারতিয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানায়, তিনি কয়েকদিন আগে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

পাঞ্জাবের এক ছোট শহর থেকে শুরু করে ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হওয়া ধর্মেন্দ্র ১৯৬০ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক করেন। এরপর তিনি অ্যাকশান হিরো থেকে অ্যাকশান স্টার হয়ে উঠেন। এবং দর্শকের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নেন। ৬ দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৩০০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। শোলের ‘বীৰু’ চরিত্র, ফুল অর পাথর, চুপকে চুপকে, সীতা অর গীতা, ধর্মবীর ও প্রতিজ্ঞা—এই সব ছবি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে সতেজ।

 

ধর্মেন্দ্র শুধুই পর্দার নায়ক নন, তিনি অফ-স্ক্রিনও বিনয়ী, মেধাবী এবং ভক্তদের প্রতি আন্তরিক ছিলেন। ১৯৯৭ সালে চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ফিল্মফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ২০১২ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্ম ভূষণ দিয়ে সম্মানিত করে। ২০২৪ সালে শাহিদ কাপুর ও কৃতি স্যাননের সঙ্গে ‘তেরি বাতোং মেইন আইসা উলঝা জিয়া’ চলচ্চিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে, যেখানে তিনি শাহিদের দাদার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া ব্লকবাস্টার রোমান্টিক কমেডি ‘রকি অর রানী কী প্রেম কাহানি’ ছবিতেও সমাদৃত হয়েছেন। তার শেষ ছবি হবে ‘ইক্কিস’, যেখানে তিনি আগস্ত্য নান্দার দাদার চরিত্রে থাকবেন।

 

ধর্মেন্দ্রের কন্যা এষা দিওল, অহানা দিওল এবং পুত্র অভিনেতা সানি দিওল ও ববি দিওলসহ স্ত্রী হেমা মালিনী ও প্রাক্তন স্ত্রী প্রাকাশ কউরের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন। ভারতীয় সিনেমা জগতে তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।