বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে ঘাঁটিতে ফিরেছে ট্রাম্পের বিমান: হোয়াইট হাউস

অনলাইন ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিমান সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর পরপরই বৈদ্যুতিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার গভীর রাতে একটি বিমানঘাঁটিতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। তবে এই ‘বৈদ্যুতিক ত্রুটি’ ‘সামান্য বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

 

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে এয়ার ফোর্স ওয়ান জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ফিরে আসে। বিমানটি রাত ১১টার কিছুক্ষণ পর অবতরণ করে (গ্রিনিচ মান সময় ০৪টা; বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা)।

 

ট্রাম্পের সঙ্গে সফররত সাংবাদিকরা জানান, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর কেবিনের ভেতরের আলো অল্প সময়ের জন্য নিভে যায়।

 

ট্রাম্প ও তার সফরসঙ্গীরা অন্য একটি বিমানে করে যাত্রা অব্যাহত রাখবেন এবং ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে যোগ দেবেন। সেখানে গ্রিনল্যান্ড দখলের উদ্যোগকে ঘিরে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের তীব্র অবস্থানগত সংঘাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

নীল-সাদা ঐতিহ্যবাহী রঙে সজ্জিত এয়ার ফোর্স ওয়ানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রতীকী বিমানগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয় এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সির তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্তযোগ্য প্রতীক।

 

বর্তমান এয়ার ফোর্স ওয়ান জেটগুলো নিয়ে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তুষ্ট। এগুলো হলো বিশেষভাবে রূপান্তরিত বোয়িং ৭৪৭-২০০বি সিরিজের দুটি বিমান, যা ১৯৯০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের সময়ে পরিষেবায় আসে।

 

গত বছর ট্রাম্প বলেছিলেন, দুটি নতুন ৭৪৭ু৮ উড়োজাহাজ সরবরাহে বিলম্ব হওয়ায় তাঁর প্রশাসন বোয়িংয়ের বিকল্প খুঁজে দেখছে।

 

মে মাসে পেন্টাগনের প্রধান পিট হেগসেথ কাতারের উপসাগরীয় আমিরাতের প্রস্তাব করা একটি বোয়িং ৭৪৭ ট্রাম্পের ব্যবহারের জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে গ্রহণ করেন।

 

কয়েকশ’ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ওই জেটটি বিদেশি শক্তির দান করা একটি উড়োজাহাজকে অতিসংবেদনশীল প্রেসিডেন্টের বিমান হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে বড় ধরনের সাংবিধানিক ও নৈতিক প্রশ্নের পাশাপাশি নিরাপত্তা-উদ্বেগও উসকে দিয়েছে।