অনলাইন ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসের কাছে শনিবার সন্ধ্যায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এক ব্যক্তি বন্দুক হামলা চালালে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের পাল্টা গুলিতে তিনি নিহত হন।
এ সময় এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
সিক্রেট সার্ভিসের যোগাযোগ বিষয়ক প্রধান অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি এক বিবৃতিতে জানান, ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসেই ছিলেন এবং তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি চুক্তির বিষয়ে আলোচনার কাজে ব্যস্ত ছিলেন।
তবে এই ঘটনায় প্রেসিডেন্টের কোনো ক্ষতি হয়নি।
স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার কিছু পরে হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা বেষ্টনীর কাছে এক ব্যক্তি তার ব্যাগ থেকে অস্ত্র বের করে গুলিবর্ষণ শুরু করে।
গুগলিয়েলমি আরও বলেন, সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা পাল্টা গুলি চালালে সন্দেহভাজন বন্দুকধারী গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। গুলিবর্ষণের সময় এক পথচারীও আহত হন।
তবে তার অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনায় কোনো সিক্রেট সার্ভিস সদস্য আহত হননি।
ঘটনার পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে।
এ সময় ওয়াশিংটন ডাউনটাউনে প্রবেশের চেষ্টা করা এএফপির এক প্রতিবেদককে ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা আটকে দেন।
কানাডিয়ান পর্যটক রিড অ্যাড্রিয়ান এএফপিকে জানান, ‘আমরা সম্ভবত ২০ থেকে ২৫টি শব্দ শুনেছিলাম, প্রথমে মনে হয়েছিল এগুলো আতশবাজির শব্দ, কিন্তু আসলে সেগুলো গুলির শব্দ ছিল, তারপর সবাই দৌড়াতে শুরু করি।’
ঘটনার সময় হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে থাকা সাংবাদিকদের দ্রুত সরে যেতে এবং প্রেস ব্রিফিং রুমে আশ্রয় নিতে নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।
এবিসি নিউজের প্রতিবেদক সেলিনা ওয়াং জানান, তিনি যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য একটি ভিডিও ধারণ করছিলেন, ঠিক তখনই গুলির শব্দ শুরু হয়।
তিনি বলেন, গুলি চলার সময় তিনি মাটিতে শুয়ে পড়েন এবং সেই মুহূর্তের শব্দও ভিডিওতে ধারণ হয়।
তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক্স-এ বলেন, ‘এটি শুনতে মনে হচ্ছিল যেন কয়েক ডজন গুলির শব্দ হচ্ছে।











