অর্থ পাচার মামলায় তারেক-মামুনের সাত বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষ

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে দেওয়া সাত বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ রায়ের জন্য আগামী ৬ মার্চ দিন রেখেছেন।

বিচারাধীন মামলায় ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন আবেদনের পক্ষে এবং দুদকের পক্ষে আইনজীবী আসিফ হাসান শুনানি করেন। এর আগে, ১০ ডিসেম্বর মামুনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিলের অনুমতি দেয় এবং একই সঙ্গে দণ্ড স্থগিত করা হয়। এরপর মামুন হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

এ মামলা ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের হয়, যেখানে অভিযোগ করা হয় যে, টঙ্গীতে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য নির্মাণ কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নিয়েছেন এবং এই টাকা সিঙ্গাপুরে লেনদেন হয়ে তার নামের ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে।

২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর, ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়ে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া, পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন আদালত।

এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১3 সালের ৫ ডিসেম্বর দুদক আপিল করে এবং ২০১4 সালের ১৯ জানুয়ারি শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়। ২০১৬ সালের ২১ জুলাই হাইকোর্ট তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে এবং ২০ কোটি টাকা জরিমানা আরোপ করে। একইসঙ্গে, গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাজাও বহাল থাকে।

এ রায়ের বিরুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন মামুন আপিল বিভাগে আবেদন করেন। এখন রায় অপেক্ষায় রয়েছে, যা ৬ মার্চ ঘোষণা করা হবে।