নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে গত ২৪ ডিসেম্বর সংঘটিত চাঞ্চল্যকর সাতজন হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ইরফানকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। বাগেরহাটের চিতলমারী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কুমিল্লা র্যাব-১১ কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। ২৫ ডিসেম্বর বুধবার দুপুর সাড়ে ১১টায় র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এসময় র্যাব কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইরফান হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘ ৮ মাস ধরে ইরফানকে বেতন দিচ্ছিলেন না এবং দুর্ব্যবহার করতেন। এই ক্ষোভ থেকেই ইরফান ও তার সহযোগী আকাশ মন্ডল চেতনানাশক ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে সবাইকে হত্যার পরিকল্পনা করে। হত্যার পর ইরফান পালিয়ে যায় এবং তাকে আটক করতে নানা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।
এদিকে, চাঁদপুরের হাইমচর থানায় ২৪ ডিসেম্বর রাতে সাত হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। নৌ-পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান জানান, মামলায় খুন ও ডাকাতির অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তদন্তের দায়িত্ব চাঁদপুর সদরের হরিণাঘাট নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে দেওয়া হয়েছে।
জাহাজটি থেকে উদ্ধারকৃত রক্তমাখা চাইনিজ কুড়ালের ফিঙ্গার প্রিন্টসহ নানা তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় ইরফানকে। একইসাথে, ৮ হাজার টাকা, স্মার্টফোন, মানিব্যাগ, চাকু, এবং অন্যান্য প্রমাণও উদ্ধার হয়েছে।
তবে, স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেঘনা নদীর মনিপুর টেক এলাকায় এর আগে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে, তবে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড আগে কখনো ঘটেনি। নদীপথে বড় পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ চলাচল করলেও, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অনেকে উদ্বিগ্ন।
এদিকে, চাঁদপুর নৌসংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক শ. আ. মাহফুজ উল আলম মোল্লা জানিয়েছেন, অবৈধ রেজিস্ট্রেশনবিহীন কার্গো জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে এই হত্যাকাণ্ডে জাহাজটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তিনি বলেন, “ঘটনার পর আমরা বিষয়টি তদন্ত করেছি এবং রহস্য দ্রুত উদঘাটিত হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।”
নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা মো. হারুন বলেছেন, আসামী গ্রেফতার হওয়ায় তারা দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছেন। তিনি বলেন, নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন এবং প্রতিটি জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
চাঁদপুরে সাত হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ইরফান গ্রেফতার
চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে গত ২৪ ডিসেম্বর সংঘটিত চাঞ্চল্যকর সাতজন হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ইরফানকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। বাগেরহাটের চিতলমারী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কুমিল্লা র্যাব-১১ কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। ২৫ ডিসেম্বর বুধবার দুপুর সাড়ে ১১টায় র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এসময় র্যাব কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইরফান হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘ ৮ মাস ধরে ইরফানকে বেতন দিচ্ছিলেন না এবং দুর্ব্যবহার করতেন। এই ক্ষোভ থেকেই ইরফান ও তার সহযোগী আকাশ মন্ডল চেতনানাশক ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে সবাইকে হত্যার পরিকল্পনা করে। হত্যার পর ইরফান পালিয়ে যায় এবং তাকে আটক করতে নানা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।
এদিকে, চাঁদপুরের হাইমচর থানায় ২৪ ডিসেম্বর রাতে সাত হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। নৌ-পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান জানান, মামলায় খুন ও ডাকাতির অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তদন্তের দায়িত্ব চাঁদপুর সদরের হরিণাঘাট নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে দেওয়া হয়েছে।
জাহাজটি থেকে উদ্ধারকৃত রক্তমাখা চাইনিজ কুড়ালের ফিঙ্গার প্রিন্টসহ নানা তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় ইরফানকে। একইসাথে, ৮ হাজার টাকা, স্মার্টফোন, মানিব্যাগ, চাকু, এবং অন্যান্য প্রমাণও উদ্ধার হয়েছে।
তবে, স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেঘনা নদীর মনিপুর টেক এলাকায় এর আগে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে, তবে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড আগে কখনো ঘটেনি। নদীপথে বড় পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ চলাচল করলেও, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অনেকে উদ্বিগ্ন।
এদিকে, চাঁদপুর নৌসংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক শ. আ. মাহফুজ উল আলম মোল্লা জানিয়েছেন, অবৈধ রেজিস্ট্রেশনবিহীন কার্গো জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে এই হত্যাকাণ্ডে জাহাজটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তিনি বলেন, “ঘটনার পর আমরা বিষয়টি তদন্ত করেছি এবং রহস্য দ্রুত উদঘাটিত হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।”
নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা মো. হারুন বলেছেন, আসামী গ্রেফতার হওয়ায় তারা দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছেন। তিনি বলেন, নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন এবং প্রতিটি জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।











