নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম থেনিজস্ব প্রতিবেদক:কে ঢাকায় ডিজেল পরিবহন পাইপলাইনের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষামূলক এবং মার্চে বাণিজ্যিকভাবে এটি চালু হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান আমিন উল আহসান। পাইপলাইন চালু হলে বছরে প্রায় ২৩৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে, যা পরিবহন খরচ, অপচয় এবং চুরি কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ২৩৭ কিলোমিটার। এতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় সরাসরি ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হবে। বর্তমানে এই তেল পরিবহন নদীপথ ও সড়কপথে করা হয়, যেখানে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি খরচ হয়। এছাড়া পরিবহন প্রক্রিয়ায় তেল চুরি ও অপচয়ও হয়ে থাকে। নতুন পাইপলাইন চালু হলে এ সমস্যাগুলোর সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্পের ব্যয় ৩ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা। সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। পাইপলাইন চালু হলে সড়ক ও নদীপথে জ্বালানি পরিবহনের উপর নির্ভরতা কমে যাবে। পরিবহন খরচের পরিবর্তে বছরে প্রায় ৯০ কোটি টাকা পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ব্যয় হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নতুন পাইপলাইন শুধু পরিবহন খরচ সাশ্রয়ই করবে না, পরিবেশ দূষণও কমাবে। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে নদীপথে নাব্যতা সংকটের কারণে তেল সরবরাহে যে বিঘ্ন ঘটে, সেটিও আর থাকবে না।
এদিকে দেশের উত্তরাঞ্চলের জন্য বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। এই পাইপলাইন দেশের ১৬ জেলায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করছে।
বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকার ৫৯ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ ডিজেল ঢাকায় ব্যবহৃত হয়। পাইপলাইন চালুর মাধ্যমে ঢাকার ডিজেল সরবরাহে সময় এবং খরচ দুই-ই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।











