অনলাইন ডেস্ক:
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ে কথা বলেন শ্রিয়া। তার মতে, এ ধরনের ঘটনার শিকার নারীরাই বেশি হন।
তাদের ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা নিয়ে নানা ধরনের কুরুচিকর আলোচনা তৈরি হয়।
নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে শ্রিয়া বলেন, ‘বিষয়টা কখনো কখনো হাস্যকর মনে হয়। অনেক সময় তো বুঝতেই পারি না, ছবিটা আদৌ আমার কি না? শরীরের বিভিন্ন অংশ বিকৃত করে দেওয়া হচ্ছে। কখনও স্তনের আকার পালটে দিচ্ছে, কখনো ছবিতে থাকা অন্তর্বাস উধাও হয়ে যাচ্ছে, আবার কখনও নিতম্বের আকার বড় করে দেওয়া হচ্ছে।
বিষয়গুলোকে খুব একটা গুরুত্ব না দিয়ে হালকাভাবে নেওয়াই ভালো। তবে একথা বলতেই হয় যে, এটা অত্যন্ত বিরক্তিকর।’
এর আগে এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ে সরব হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরও। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তার একটি রোমান্টিক গানের দৃশ্য বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। নারীশরীরকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে উপস্থাপন করাকে যৌন নিগ্রহের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন এই অভিনেত্রী।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের সমালোচনা করলেও এর ইতিবাচক দিকগুলো অস্বীকার করেননি শ্রিয়া। তার মতে, এই প্রযুক্তির যেমন অনেক উপকারিতা রয়েছে, তেমনি এর অপব্যবহার বিপজ্জনক পরিস্থিতিও তৈরি করতে পারে।
এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘এআই-এর যেমন অনেক ভালো দিক ও উপকারিতা রয়েছে, তেমনই এই প্রযুক্তি অনেক কিছু বদলে দেওয়ার ক্ষমতাও রাখে। ফলত এমন সব পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা বিপজ্জনক! আমার মনে হয়, যে কোনও প্রযুক্তির ক্ষেত্রেই এই কথাটি প্রযোজ্য। সময়ের সঙ্গে আমাদের হয় এর সঙ্গে মানিয়ে চলতে হবে, নয়তো এর মোকাবেলা করতে হবে।’
প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ে তারকাদের উদ্বেগও বাড়ছে। বিশেষ করে সম্মতি ছাড়া ছবি বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নকে সামনে আনছে।











