নিজস্ব প্রতিবেদক:
নির্বাচনের সঙ্গে সংস্কার ও আওয়ামী লীগের অপরাধের বিচার মেলানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। তারা বলেন, এসব কাজ বর্তমান সরকার নয়, বরং বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে করবে। পাশাপাশি শেখ হাসিনার পতনে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেও দাবি করা হয়।
বুধবার (২৮ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার এক সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন। এ সময় তারা ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানান।
সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “নির্বাচন নিয়ে আর কোনো সময়ক্ষেপণ চলবে না। সংস্কার ও বিচারের অজুহাতে নির্বাচনের সময় পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। বিএনপিই প্রথম সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিল, যেটি খালেদা জিয়া জাতির সামনে উপস্থাপন করেন।”
তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনার পতনে খালেদা জিয়ার অবদান অনস্বীকার্য। আর তারেক রহমানের নিরলস নেতৃত্ব এই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নতুন গতি এনে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের অপরাধের বিচার বিএনপি সরকারেই হবে।”
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা কারও পদত্যাগ চাইনি, চাইছিলাম নির্বাচনকালীন রোডম্যাপ। কিন্তু দেশের জনগণ দেখেছে পদত্যাগের নাটক। গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে কথা বলাটাই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিএনপি সেই অপরাধ বারবার করবে।”
অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস বলেন, “এই সরকার জনগণের চাহিদা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। নয় মাসেও কোনো সংস্কার হয়নি। সরকারের উচিত এখনই ক্ষমা চেয়ে জনগণের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।”
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “এই সরকার এখন পর্যন্ত ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং নির্বাচন পেছাতে ষড়যন্ত্র করছে। আমরা এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব।”











