নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর নয়াপল্টনে আজ বুধবার বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’। সকাল থেকেই সেখানে শুরু হয়েছে নেতাকর্মীদের ঢল। ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও সিলেট, ফরিদপুর, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন জেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের হাজার হাজার নেতাকর্মী।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠতে থাকে নয়াপল্টনের পরিবেশ। দুপুর ১২টা নাগাদ পুরো এলাকা পরিণত হয় স্লোগান, বাদ্যযন্ত্র আর দলীয় পতাকায় মুখর এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। নেতাকর্মীরা কেউ হাতে ব্যানার-ফেস্টুন, কেউ আবার গানে-নাচে দলীয় কর্মসূচিতে প্রাণ ঢেলেছেন। চারপাশে টাঙানো মাইক থেকে বাজছে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে সংগীত।
দুপুর ২টায় এই সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ভার্চুয়ালি এতে যুক্ত হবেন তারেক রহমান। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি দেশের তরুণ সমাজের উদ্দেশে রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের কৌশল তুলে ধরবেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ।
বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা জিলানি এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, খুলনা, বগুড়া ও চট্টগ্রামের সমাবেশে তরুণদের বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। ঢাকার এই সমাবেশে ১৫ লাখ তরুণের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন তারা, যা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলেও দাবি করেন তিনি।
তার বক্তব্যে উঠে আসে তরুণদের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার দাবি, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনের নতুন ধাপ হিসেবে এই সমাবেশের গুরুত্ব। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে যারা ভোট দিতে পারেননি, সেই যুবকরাই আজ এই আন্দোলনের প্রধান কণ্ঠ হয়ে উঠেছে।
বিএনপির এই তিন অঙ্গসংগঠন গত ২৯ এপ্রিল ঘোষণা দিয়েছিল, ১০টি বিভাগে তারুণ্যকেন্দ্রিক চারটি সেমিনার ও চারটি সমাবেশ করবে। ৯ মে চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির চূড়ান্ত পর্ব আজ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।











