বাজেটে দাম বাড়তে পারে যেসব পণ্যের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের আকার কমানো হলেও রাজস্ব বাড়াতে একাধিক পণ্যে কর, শুল্ক, ভ্যাট ও সারচার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) প্রচারিত বাজেট বক্তৃতায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি। এ বছর বাজেটের আকার দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ হাজার কোটি টাকা কম।

নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব পণ্যে শুল্ক ও কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • ইলেকট্রনিক গৃহস্থালি সামগ্রী: দেশে তৈরি মোবাইল ফোন, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইলেকট্রিক ওভেন, ব্লেন্ডার, জুসার, গ্রাইন্ডার, রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, ইস্ত্রি, ইলেকট্রিক কেটলি, লিফট ইত্যাদি।

  • জ্বালানি ও কনটেইনার: তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং দেশে তৈরি এলপিজি সিলিন্ডার।

  • প্রসাধনী ও বিলাসপণ্য: বিদেশি চকলেট, লিপস্টিক, চোখ-মুখের প্রসাধনী, ব্লেড, সিগারেট।

  • অন্যান্য পণ্য ও সেবা: সাবান-শ্যাম্পু, বলপয়েন্ট কলম, অনলাইন কেনাকাটা, রড, ফ্ল্যাট, হেলিকপ্টার সার্ভিস, ওটিটি কনটেন্ট, কমার্শিয়াল ভবন (বাণিজ্যিক স্পেস)।

অর্থ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রস্তাবিত কর বৃদ্ধির ফলে দৈনন্দিন ব্যবহৃত অনেক পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণিকে প্রভাবিত করতে পারে।

অর্থ উপদেষ্টা অবশ্য জানিয়েছেন, বাজেটের লক্ষ্য একটি টেকসই রাজস্ব কাঠামো গড়ে তোলা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই ঘাটতি মেটানোর সক্ষমতা অর্জন।