অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ১১তম আসরের পঞ্চম ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে খেলে বল হাতে ইতিহাস গড়লেন পেসার তাসকিন আহমেদ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে সেরা বোলিং ফিগারের নতুন রেকর্ড গড়েন তাসকিন। ৪ ওভারে ১৯ রানে ৭ উইকেট নিয়ে তিনি বিপিএলের ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে ৭ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
এটি একটি অনন্য রেকর্ড, কারণ এতদিন বিপিএলের সেরা বোলিং ফিগারের মালিক ছিলেন পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আমির। ২০২০ সালে রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে ৪ ওভারে ১৭ রানে ৬ উইকেট নিয়ে সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ড গড়েছিলেন আমির।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট ইতিহাসে তৃতীয় বোলার হিসেবে ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তাসকিন। তার আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন মালয়েশিয়ার পেসার সিয়াজরুল ইদরুস এবং নেদারল্যান্ডসের অফ-স্পিনার কলিন অ্যাকারম্যান। প্রথমে অ্যাকারম্যান ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের ভাইটালিটি ব্ল্যাস্ট টি-টোয়েন্টিতে ৪ ওভারে ১৮ রানে ৭ উইকেট নেন। এর পর ২০২৩ সালে ইদরুস ৪ ওভারে ৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন, যা এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
তাসকিনের ম্যাচে সেরা বোলিং ফিগারের পথ চলা শুরু হয় তার প্রথম ৩ ওভারেই ১৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে। ইনিংসের শেষ ওভারে তিনি মাত্র ২ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েন। তাসকিনের জন্য এটি ছিল তার ১৭৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব, যা তার ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার হিসেবে চিহ্নিত হলো। তার আগের সেরা ছিল ২০১৬ সালের বিপিএলে, রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩১ রানে ৫ উইকেট।
এছাড়া বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীদের তালিকায় তাসকিন এখন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। ৮০ ম্যাচে তার ২০.৩৬ গড়ে ১১২ উইকেট রয়েছে। বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হিসেবে সাকিব আল হাসান আছেন, যিনি ১১৩ ম্যাচে ১৪৯ উইকেট শিকার করেছেন।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭৩ ম্যাচে ৮২ উইকেট শিকার করেছেন তাসকিন, এবং তার সেরা বোলিং ফিগার ১৬ রানে ৪ উইকেট।











