অনলাইন ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেওয়ার পর ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য রাতারাতি বদলে গেছে। তবে এই নির্বাচনের ফলকে যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতি শিথিল হওয়ার সংকেত হিসেবে না দেখতে দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বার্তায় খামেনি লিখেছেন, এই বছরের ৪ নভেম্বর ইরানিরা অপরাধী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের অবস্থান আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে বুঝতে পেরেছে। তা সত্ত্বেও, যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক আচরণ এবং এর বিরুদ্ধে ইরানি জাতির দৃঢ় প্রতিরোধের কারণগুলো পর্যালোচনা করা আগামী দিনের পথচলায় একটি দিকনির্দেশক আলো হিসেবে কাজ করবে।
গত মার্চ মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে উপস্থিত হননি খামেনি। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানে হামলা শুরু করে তবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হবে। তিনি বলেন, যদি এই ধরনের আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে এর (যুদ্ধের) পরিধি আরও অনেক বেশি ব্যাপক হয়ে উঠবে।
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ও অজনপ্রিয়তার সুযোগ নিয়ে এক ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয়, যা ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে তার ক্ষমতার ওপর শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। তবে নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নমনীয় সুর প্রকাশ করে জানান, তিনি এই ফল মেনে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত এবং ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে রাজি আছেন।
উল্লেখ্য, এ বছরের নির্বাচনে ট্রাম্পের শুরু করা ইরান যুদ্ধ অন্যতম প্রধান প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। দেশেরজুড়ে অর্থনৈতিক সংকট ও দুর্ভোগের জন্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এই সংঘাতকেই মূল কারণ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।











