নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাষ্ট্র সংস্কার কার্যক্রম অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগ হলেও এটি জনগণের দাবির প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে শেষ করতে চায় কমিশন।
শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধানের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।
আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
আলী রীয়াজ বলেন, “রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ অন্তর্বর্তী সরকার নিয়েছে, তবে এটি জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি। কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে একটি সুনির্দিষ্ট সংস্কারপথ নির্ধারণ করতে চায়।”
রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে সংবিধান, জনপ্রশাসন, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত ৩২টি দল তাদের মতামত দিয়েছে। চূড়ান্ত সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে ২০ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে কমিশন, যার মধ্যে ইতোমধ্যে সাতটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।










