নিজস্ব প্রতিবেদক:
যুদ্ধাপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম দীর্ঘ ১৩ বছর কারাভোগের পর খালাস পেয়ে বুধবার সকালে মুক্তি পেয়েছেন। সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তির পর শাহবাগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আজহারুল ইসলাম বলেন,
“জুলাই যোদ্ধাদের ধন্যবাদ। ৩৬ জুলাইয়ের মহাবিপ্লবী নায়কদের জন্যই আমি মুক্তি পেয়েছি। তাদের আন্দোলনই স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়েছে। এখন আমি মুক্ত, আমি স্বাধীন।”
তিনি আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমি আদালতকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। এতদিন এই দেশে ন্যায়বিচার ছিল না।”
বক্তব্যে তিনি বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ জামায়াতের যেসব নেতাকে যুদ্ধাপরাধ মামলায় দণ্ডিত করা হয়েছে, তাদের “বিচারিক হত্যা” হিসেবে আখ্যা দেন এবং তাদের স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি এসব মামলার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, “এখানে রাস্তা আটকে সমাবেশ হয়েছে, জনগণের যেন ভোগান্তি না হয়, তাই আর বেশি কথা বলছি না। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে আবার দেখা হবে, কথা হবে।”
তিনি ২০১০ সালের ডিসেম্বরে গ্রেফতার হন এবং ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আপিল বিভাগ সেই রায় বাতিল করে খালাস দেন। তার মুক্তির মধ্য দিয়ে দীর্ঘ এক দশকের আইনি লড়াই শেষ হলো।











