সবজি ও মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি, চাপে মধ্যবিত্ত ক্রেতারা

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীসহ সারা দেশে সবজি ও ব্রয়লার মুরগির দামে ফের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মুরগির দামও কেজিপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। হঠাৎ এমন দামে ক্রেতাদের মাঝে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

সবজি বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টিপাতে কৃষকের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, ফলে বাজারে সরবরাহ কম। আর সেই ঘাটতির প্রভাবই পড়েছে পাইকারি ও খুচরা দামে।

সবজির বাজার:

নিম্নোক্ত হারে সবজি বিক্রি হতে দেখা গেছে:

বেগুন: ৮০–১২০ টাকা

টমেটো: ১২০ টাকা

করলা: ১০০ টাকা

ঢ্যাঁড়স: ৮০ টাকা

ধুন্দল: ৫০ টাকা

কাঁকরোল: ৮০ টাকা

পটল: ৭০ টাকা

কচুমুখী: ৬০ টাকা

কচুর লতি: ৮০ টাকা

শসা: ৬০–৮০ টাকা

পেঁপে: ২০ টাকা

বরবটি: ১০০–১২০ টাকা

কহি: ৬০ টাকা

গাজর: ৭০–৯০ টাকা

ঝিঙে: ৫০–৬০ টাকা

পেঁয়াজ: ৭৫–৮০ টাকা

শিম: ১৬০ টাকা

মুলা: ৫০ টাকা

চিচিঙ্গা: ৬০ টাকা

আলু: ২৫ টাকা

ধনেপাতা: ৮০ টাকা

কাঁচা মরিচ: ১৬০ টাকা কেজি

আমড়া: ৫০ টাকা

উচ্ছে: ৯০–১০০ টাকা

চালকুমড়ো (প্রতি পিস): ৫০–৬০ টাকা

লম্বা লাউ (প্রতি পিস): ৬০–৮০ টাকা

মুরগির বাজার:

ব্রয়লার মুরগি: ১৭০–১৮০ টাকা (আগের চেয়ে ১০ টাকা বেশি)

সোনালি মুরগি: ২৯০–৩২০ টাকা

লাল লেয়ার: ৩২০ টাকা

সাদা কক: ৩০০ টাকা

দেশি মুরগি: ৬০০–৭০০ টাকা

গরু ও খাসির মাংস:

গরু ও খাসির মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি:

গরুর মাংস: ৭৬০–৮০০ টাকা

খাসি: ১২০০ টাকা

ছাগল: ১১০০ টাকা

ডিমের বাজার:

ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে:

লাল ডিম (ডজন): ১৪০ টাকা

সাদা ডিম: ১৩০ টাকা

হাঁসের ডিম: ২৪০ টাকা

দেশি মুরগির ডিম: ২৩৫ টাকা

মাছের বাজার:

রুপালি ইলিশের দামে সামান্য স্বস্তি এলেও অন্যান্য মাছের দাম আগের মতোই চড়া:

১ কেজি ওজনের ইলিশ: ২২০০ টাকা (৩০০–৪০০ টাকা কম)

দেড় কেজির ইলিশ: ৩০০০ টাকা

৮০০–৯০০ গ্রাম ইলিশ: ১৯০০ টাকা

৬০০–৭০০ গ্রাম ইলিশ: ১৬৫০ টাকা

অন্যান্য মাছ:

বোয়াল: ৭৫০–৯০০ টাকা

কোরাল: ৮০০–৮৫০ টাকা

আইড়: ৭০০–৮০০ টাকা

রুই (চাষ): ৩৮০–৪৫০ টাকা

কাতল: ৪৫০ টাকা

তেলাপিয়া: ১৮০–২২০ টাকা

পাঙাশ: ১৮০–২৩৫ টাকা

পাবদা/শিং: ৪০০–৫০০ টাকা

চাষের ট্যাংরা: ৭৫০–৮০০ টাকা

কাঁচকি: ৬৫০–৭০০ টাকা

মলা: ৫০০–৫৫০ টাকা

একজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নিত্যপণ্যের দাম এত বেড়ে গেছে যে দৈনন্দিন খাবারের জন্যই কষ্ট হচ্ছে। আমরা চাই বাজারে স্বস্তি আসুক। না হলে এই ব্যয়ে সংসার চালানো দুঃসাধ্য হয়ে যাবে।”