জেলা প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদরে বাদুল্ল্যা মাতুব্বর ডাঙ্গী গ্রামের খালটি দখলমুক্ত করতে ভরাট বালু নিলামে বিক্রি করে খালটি অবমুক্ত করেছেন ইউএনও মোঃ জুলহাস হোসেন সৌরভ। বুধবার সকাল ১১ টায় খালটি অবমুক্ত করার জন্য ইউএনও’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় খাল দখলদার পার্শ্ববতী মৃত: হাতেম মোল্যার ছেলে সাঈদ মোল্যা (৫৫) নিজ বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়।
ফলে উক্ত খালের একাংশে ভরাটকৃত মালামালের মধ্যে ৩৫০০ ঘন ফিট বালু, ৮টি পাইপ ও ২টি বাঁশের বেড়া নগদ ১০ হাজার টাকা নিলামে বিক্রি করেন ভ্রাম্যমান আদালত। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ অনুযায়ী খাল ভরাট বালু সহ মালামাল জব্দ দেখিয়ে তা নিলামে বিক্রি করা হয়। নিলাম গ্রহিতা দীপু খান আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে মালামাল সরিয়ে নিয়ে খালটি অবমুক্ত করবেন বলে জানা যায়।
এ ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের অন্যরা হলেন-চরভদ্রাসন থানার এসআই মোজাম্মেল হোসেন, ইউএনও’র সি.এ উজ্জল হোসেন, উপজেলা সার্ভেয়ার ফয়সাল হোসেন ও তহশিলদার মোঃ খলিলুর রহমান প্রমূখ।
জানা যায়, সম্প্রতী সাইদ মোল্যা শত বছরের পুরোনো খালটি ভরাট করে তার বাড়ীতে যাতায়াতের রাস্তা গড়ে নিয়েছিল। এতে করে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এ খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরেজমিন পরিদর্শন করে খাল দখলদারকে চার দিনের মধ্যে ভরাট বালু সরিয়ে খালটি অবমুক্ত করার নির্দেশ দেন। কিন্ত বেধেঁ দেওয়া সময়ের পর পনের দিন পার হলেও দখলদার খালের ভরাট বালু অপসারন করেন নাই। বরং দখলদার খালের মধ্যে আরও ভরাট বালু ফেলে বাড়ী যাতায়াতের রাস্তা প্রসস্ত করে চলছিল। তাই বুধবা সকালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করে খালটি অবমুক্ত করেন ইউএনও। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জুলহাস হোসেন সৌরভ বলেন, “সরকারি সম্পত্তি রক্ষার জন্য নিয়ম অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে খাল ভরাটে ব্যবহৃত মালামাল নিলামে বিক্রি করা হয়েছে”।











