রাজধানীর সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার পর সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থানে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করা হলে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হবে। সোমবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সন্দেহভাজন একজন ব্যক্তিকে কাকরাইলের সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল ও সেন্ট জোসেফ স্কুল প্রাঙ্গণে সংঘটিত বিস্ফোরণসহ একাধিক ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ডিএমপি ও র‍্যাব সমন্বয়ে শহরজুড়ে অভিযান শুরু করেছে, যাতে এই “জঘন্য ও কাপুরুষোচিত” হামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা যায়, উল্লেখ করেছে প্রেস উইং।

সরকার আরও জানায়, রাজধানীর সব গির্জা এবং সকল ধর্মের উপাসনালয়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়,
“আন্তঃধর্মীয় ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ধর্মীয় সহাবস্থানে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা হলে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হবে।”

সোমবার সকালে ঢাকার চারটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যদিও এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে—

মোহাম্মদপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং ফরহাদ মজহারের প্রতিষ্ঠান প্রবর্তনা-র ভেতর ও সামনের সড়কে দুইটি বিস্ফোরণ;

মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে একটি বিস্ফোরণ;

এবং ধানমন্ডি ২৭ নম্বর মাইডাস সেন্টার ও ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনে আরও দুইটি বিস্ফোরণ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ঘটনায় ২৮ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যিনি প্রাথমিক তদন্তে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং রাজধানীতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে।