নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও বাকস্বাধীনতা কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের স্বাধীন মতপ্রকাশে কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার (১৩ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই আশ্বাস দেওয়া হয়।
এর একদিন আগে, সোমবার (১২ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে আওয়ামী লীগ ও এর সকল অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যেকোনো ধরনের প্রকাশনা, প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশসহ সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় এই প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে, যা কার্যকর থাকবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত। তবে এই সিদ্ধান্ত বাকস্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বা আইনি পর্যালোচনার অধিকারকে খর্ব করে না বলেও বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।
সরকার জানায়, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে গত ১৫ বছর ধরে বিশেষ করে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান চলাকালে হত্যাকাণ্ড, গুম, অমানবিক নির্যাতন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে বহু মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং দেশের ফৌজদারি আদালতে বিচারাধীন।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে সংগঠনগুলো গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে হামলা, উসকানি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এতে মামলার বাদী ও সাক্ষীদের মনে ভীতি তৈরি হয় এবং বিচার প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়।
এমন পরিস্থিতিতে জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, বলা হয় সরকারপ্রদত্ত বিবৃতিতে।










