জেলা প্রতিনিধি :
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দিন দিন বেড়ে চলেছে লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসির সংখ্যা। এসব ফার্মেসিতে রোহিঙ্গা কর্মী ও হাতুড়ে ডাক্তারদের মাধ্যমে চলছে অবাধ ওষুধ বিক্রি ও চিকিৎসা কার্যক্রম। এতে রোগীরা যেমন ভোগান্তিতে পড়ছেন, তেমনি বাড়ছে অপচিকিৎসা ও প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা।
সম্প্রতি এক রোহিঙ্গা পরিচালিত ফার্মেসিতে মাথা ব্যথার রোগীকে ঘুমের ইনজেকশন ও ‘ফ্লনটিন ৫০০’ নামক ওষুধ দেওয়া হয়, যার ফলে রোগী অসুস্থ হয়ে পড়েন। এমন ঘটনা এখন ক্যাম্পে প্রায় নিয়মিত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্প ও তার আশপাশের এলাকাজুড়ে প্রায় শতাধিক ফার্মেসি চলছে ভুয়া লাইসেন্সে। এইসব প্রতিষ্ঠানে নেই কোনো প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট বা চিকিৎসক, নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন। শুধু রোহিঙ্গা নয়, আশপাশের দরিদ্র গ্রামীণ জনগণও প্রতিদিন এসব ফার্মেসিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে নগদ অর্থ, অথচ নেই বৈধতা বা সঠিক চিকিৎসার নিশ্চয়তা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবৈধ ফার্মেসি ও অপচিকিৎসার বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। স্বাস্থ্য বিভাগকে জানানো হয়েছে। অতীতেও অভিযান চালানো হয়েছে, এবং খুব শিগগিরই আবারও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যারীন তাসনিম তাসিনও জানান, লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসিগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি চলমান রয়েছে।











