অনলাইন ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে গত এপ্রিলে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর আর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলা চালায়নি ইরান। তবে লেবাননে ইসরায়েলের লাগাতার আগ্রাসনে ধৈর্যচ্যুতি ঘটেছে তেহরানের। স্থানীয় সময় রোববার (৭ জুন) দিবাগত রাতে ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা।
জবাবে ইরানের রাজধানী তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে ‘আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই পাল্টা হামলার পরপরই ইয়েমেনের দিক থেকেও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পরপরই সেন্ট্রাল ইসরায়েলে সাইরেন বেজে ওঠে। এরপরই সতর্কতার অংশ হিসেবে দেশটির আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এদিকে ইরানের হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে পাল্টা হামলা চালাতে নিষেধ করেছিলেন। ইরানের সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে তার দেশ অনেকটা এগিয়ে গেছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আশা করি ইসরায়েল পাল্টা জবাব দেবে না। যদি বিবি (নেতানিয়াহু) পাল্টা আঘাত হানেন, তাহলে গত ৪৭ বছর কিংবা গত ৩ হাজার বছরের মতো সংঘাত চলতেই থাকবে।’ তবে তার অনুরোধে কর্ণপাত করেননি নেতানিয়াহু।
ইসরায়েলের পাল্টা হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, ‘ইরান আজ ইসরায়েলের দিকে ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র শত শত মানুষের জীবন কেড়ে নিতে পারত। আত্মসম্মানবোধ আছে এমন কোনও দেশ এই ধরনের আক্রমণ মেনে নেবে না, ইসরায়েলও নেয়নি।’
সূত্র: আল জাজিরা











