অনলাইন ডেস্ক:
গাইবান্ধায় বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার এক আওয়ামী লীগ নেতা জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। গত রোববার গভীর রাতে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে জেলা কারাগারের জেলার আতিকুর রহমান জানিয়েছেন। মৃত আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এবং ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। গোবিন্দগঞ্জ থানার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় গত ২ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করে গাইবান্ধা কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, আবু বক্কর দীর্ঘদিন থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তাকে ‘মিথ্যা’ রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং সেখানে ‘নির্যাতন’ চালানো হয়।
এ কারণেই তার মৃত্যু হয়। গাইবান্ধা কারাগারের জেলার আতিকুর রহমান বলেন, “আবু বক্কর দীর্ঘদিন থেকে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও শ সকষ্টে ভুগছিলেন। গত রোববার রাত সোয়া ১২টার দিকে তিনি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। “পরে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।” আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না ছেলে সৌমিক অভিযোগ করে বলেন, “বাবাকে প্রথমে গাইবান্ধা সদর থানার জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আগুন-ভাঙচুর ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দীর্ঘদিন জেল খাটার পর তিনি জামিন পান। “পরে জামিনে মুক্তি পেলে গত ২ সেপ্টেম্বর জেলগেটে আরেকটি মামলায় আবার তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।” সৌমেকের ভাষ্য, “অসুস্থ থাকার পরও বাবাকে কারাগারে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। তাকে ‘পরিকল্পিতভাবে হত্যা’ করা হয়েছে।” এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলার আতিকুর রহমান বলেন, “কারাগারে আবু বক্করের চিকিৎসার বিষয়ে কোনও অবহেলা ছিল না।”











