জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চতুর্থ দিনেও সেবা বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চলমান অচলাবস্থা চতুর্থ দিনেও কাটেনি। গত বুধবার (২৮ মে) জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সঙ্গে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সংঘর্ষের পর থেকে হাসপাতালের পুরো সেবা কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। এতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জুলাই যোদ্ধাদের একটি অংশ হাসপাতালের ভেতরে বারবার সহিংস আচরণ ও ভাঙচুর চালিয়েছে, যা চিকিৎসক ও কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতার কারণে কাজে ফিরতে অনিচ্ছুক।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. জানে আলম বলেন, “পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমরা বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসক ও কর্মীরা কাজে ফিরবেন না।”

গতকাল শুক্রবার (৩০ মে) পরিস্থিতি সমাধানে হাসপাতালের কর্মকর্তারা, ছাত্র প্রতিনিধিরা এবং কয়েকজন সচিবের উপস্থিতিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে, গত বুধবারই অনুষ্ঠিত হয় আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক, যেখানে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টাসহ এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ ও আবু বকর। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আহত ৮-১০ জন জুলাই যোদ্ধাকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট থেকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে।

তবে এখনো পর্যন্ত সেবা কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে কোনো সময়সীমা বা নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।