নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)। একই সঙ্গে দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে তাঁর অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন সংগঠনটির নেতারা।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের কার্যালয়ে এপিইউবির আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। এপিইউবি সভাপতি মো. সাবুর খান-এর নেতৃত্বে এবং মহাসচিব ইশতিয়াক আবেদিনের সমন্বয়ে গঠিত এই প্রতিনিধি দলে উচ্চশিক্ষা খাতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন, একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যায়।
সাক্ষাৎকালে এপিইউবির নেতারা ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গৃহীত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দেয় এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে।
বর্তমানে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চার লাখের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে বলে উল্লেখ করে নেতারা জানান, এসব প্রতিষ্ঠান মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় দেশের উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। এ সময় তারেক রহমান শিক্ষিত যুবসমাজ ও পেশাজীবীদের জন্য কনটেন্ট ক্রিয়েশন, ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইন ট্রেডিংকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি এসব কার্যক্রমকে সহায়তা দিতে আধুনিক হাই-টেক সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ এপিইউবির ভাইস চেয়ারম্যান কে. বি. এম. মইন উদ্দিন চিশতী, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড সদস্য এম. এ. কাসেম এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর বোর্ড সদস্য জাভেদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।











