বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি:
খুলনার বটিয়াঘাটায় গত পাঁচ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর হঠাৎ করেই আলোচনায় আসেন বাহাদুর মুন্সী স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে এলাকায় তার তেমন কোনো পরিচিতি ছিল না কিন্তু ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল ও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ভাঙিয়ে এবং তার ঘনিষ্ঠ পরিচয়ের সুবাদে তিনি একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যান। এসব ঘটনার ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্থানীয় যুবদলের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরাও চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন। এদিকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি এলাকায় পোস্টার সাঁটিয়েছেন তার এই আকস্মিক উত্থান ও বেপরোয়া কার্যকলাপে পুরো বটিয়াঘাটা উপজেলা জুড়েই নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায় খুলনার রায়েরমহল এলাকার এক বিধবা নারীর ক্রয়কৃত জমি জবরদখল করার চেষ্টা চালান বাহাদুর মুন্সী প্রতিবাদ করায় তাকে এবং তার ছেলেদের বিভিন্ন ধরনের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এছাড়া সাচিবুনিয়া এলাকার এক ব্যক্তির পৈতৃক সূত্রে পাওয়া দোকান ঘর জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে চক্রাখালী বাজার এলাকায় আরও কয়েকটি দোকান এবং গরিব মানুষের জমিও অবৈধভাবে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে স্থানীয় বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের পাশাপাশি পশুর নদীর বিভিন্ন অংশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গেলে সাধারণ মানুষ নানাভাবে হয়রানির শিকার হন।
অভিযোগের বিষয়ে যুবদল নেতা বাহাদুর মুন্সী দাবি করেন তার কেনা জমির সব কাগজপত্র সঠিক রয়েছে। তিনি আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করেননি এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা সকল চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন। তবে এসব ঘটনার বিষয়ে খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দলের নাম ব্যবহার করে কেউ কোনো ধরনের অপকর্ম করলে তার দায় দল বহন করবে না অন্যদিকে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক জানিয়েছেন অপরাধীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।











