অনলাইন ডেস্ক:
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি ও উত্তেজনা হ্রাস চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২১ মে পাকিস্তানি নীতি বিশেষজ্ঞ আলী কে চিশতি তার ইনস্টাগ্রামসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, এটি পাকিস্তান প্রস্তুত করেছে।
ঘোষণাপত্রে উভয় দেশের মধ্যে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের পূর্ণ সম্মানের অঙ্গীকার করা হয়েছে।
ঘোষণাপত্রের প্রধান শর্তসমূহ:
১. স্থল, সমুদ্র ও আকাশসহ সব রণাঙ্গনে তাৎক্ষণিক, ব্যাপক ও শর্তহীন যুদ্ধবিরতি।
২. সামরিক, বেসামরিক বা অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু না করার পারস্পরিক অঙ্গীকার।
৩. সব ধরনের সামরিক অভিযান ও মিডিয়া যুদ্ধ সম্পূর্ণ বন্ধ।
৪. একে অপরের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার পূর্ণ সম্মান।
৫. পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি ও ওমান সাগরে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
৬. যৌথ পর্যবেক্ষণ ও বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গঠন।
৭. সব বিচ্ছিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা শুরু, যা ৭ দিনের মধ্যে শুরু হবে।
৮. ইরানের পূর্ণ আনুগত্যের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে প্রত্যাহার।
তিনি দাবি করেন, ঘোষণাপত্রটি পাকিস্তানের উদ্যোগে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং এতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা কমানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
খসড়ায় আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানানোর অঙ্গীকারও করা হয়েছে।
প্রকাশিত ঘোষণাপত্র অনুযায়ী, উভয় পক্ষ স্থল, সমুদ্র ও আকাশ-সব রণাঙ্গনে তাৎক্ষণিক, ব্যাপক ও শর্তহীন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হবে। পাশাপাশি সামরিক, বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু না করার পারস্পরিক অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে সব ধরনের সামরিক অভিযান ও তথাকথিত ‘মিডিয়া যুদ্ধ’ বন্ধের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে একে অপরের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।
খসড়ায় পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি ও ওমান সাগরে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া যৌথ পর্যবেক্ষণ ও বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।











