অনলাইন ডেস্ক:
ব্যস্ত শুটিং শিডিউলের মধ্যেও নিজেকে ফিট ও প্রাণবন্ত রাখতে তিনটি অভ্যাসকে বিশেষ গুরুত্ব দেন দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত খাবার এবং পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামকে নিজের ফিটনেস রুটিনের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখেন তিনি।
সম্প্রতি ভারতীয় বিনোদনবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ফিটনেস রুটিন নিয়ে কথা বলেছেন রাশমিকা। সেখানে তিনি জানান, ফিটনেস তার কাছে শুধু শরীরের গড়ন ঠিক রাখার বিষয় নয়। প্রতিদিনের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
রাশমিকার ফিটনেস রুটিনের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়মিত শরীরচর্চা। শরীরকে শক্তিশালী ও কর্মক্ষম রাখতে তিনি স্ট্রেংথ ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি ফাংশনাল ওয়ার্কআউট করেন। ব্যস্ততার মধ্যেও এসব ব্যায়ামের জন্য সময় রাখার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী।
খাবারের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত কড়াকড়ি পছন্দ করেন না রাশমিকা। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ভারসাম্য রাখেন তিনি। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টিকর খাবার গ্রহণকেই বেশি গুরুত্ব দেন।
শরীরচর্চা ও খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামকেও সমান গুরুত্ব দেন রাশমিকা। তার মতে, দৈনন্দিন ফিটনেস রুটিনে বিশ্রামের এই অংশটি বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।
নিজের অভ্যাস সম্পর্কে রাশমিকা বলেন, “আমি স্ট্রেংথ ট্রেনিং ও ফাংশনাল ওয়ার্কআউটের জন্য সময় রাখি, ভারসাম্য বজায় রেখে স্বাস্থ্যকর খাবার খাই এবং পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিশ্চিত করি।”
ফিটনেসের উদ্দেশ্য নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “আমার কাছে ফিট থাকা মানে কেবল দেখতে ভালো লাগা নয়। প্রতিদিন নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখাই আসল।”
শুধু শরীরচর্চা বা খাবার নয়, পোশাকের ক্ষেত্রেও স্বস্তিকে গুরুত্ব দেন রাশমিকা। ক্রপড টি-শার্ট, ঢিলেঢালা কো-অর্ড সেট, জগার্স কিংবা ডেনিমের সঙ্গে ক্যাপ ও কম গয়নায় সহজ-সাদামাটা সাজে থাকতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন তিনি। বিশেষ করে ভ্রমণ বা বিমানবন্দরের পোশাকে আরামদায়ক পোশাক বেছে নেন অভিনেত্রী।
পোশাকের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের কথা জানিয়ে রাশমিকা বলেন, “আমি স্বাভাবিকভাবেই সহজ ও সাদামাটা সাজ, আরামদায়ক কো-অর্ড সেট, ওভারসাইজড টি-শার্ট এবং সহজে চলাফেরা করা যায় এমন পোশাক বেশি পছন্দ করি।”
তার মতে, পোশাকের আরামের সঙ্গে আত্মবিশ্বাসেরও সম্পর্ক রয়েছে। তাই ফিটনেসের পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনযাপন ও পোশাকের ক্ষেত্রেও স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দেন তিনি।











