মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: অস্ত্র মামলায় ছাত্রদল নেতা রবিনের দায় স্বীকার
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা অস্ত্র মামলায় ছাত্রদল নেতা তারেক রহমান রবিন আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
শনিবার (১২ জুলাই) বিকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ গিয়াসের আদালতে স্বেচ্ছায় এ জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত রবিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে শুক্রবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা রবিনের দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
গত ৯ জুলাই সন্ধ্যায় মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে প্রকাশ্যে সোহাগকে নির্মমভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়।
নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জের পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার ৪ নম্বর রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন তিনি।
ঘটনার পর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা এবং একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। এতে মাহমুদুল হাসান মহিনকে হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে, আর তারেক রহমান রবিনকে অস্ত্র মামলায় ২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। দুজনকেই ঘটনার পরপরই পুলিশ আটক করে।
রবিন সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি চকবাজার থানা ছাত্রদলের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক।
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায়—পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হচ্ছে সোহাগকে। ভিডিও দেখে অনেকেই ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। নাগরিক নিরাপত্তা ও বিচারহীনতার culture নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
