ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন 📢 Google AdSense — 728 × 90 Leaderboard Placement

মিটফোর্ডে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: মূল হামলাকারী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: 16 July 2025, 12:55 pm
ফন্ট:

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকার পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতাল চত্বরে ভাঙারি ব্যবসায়ী লালচাঁদ সোহাগকে নির্মমভাবে হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামিকে পটুয়াখালীর ইটবাড়িয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার সকালে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, “ঢাকা ডিবি পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইটবাড়িয়া এলাকা থেকে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকায় এখনই বিস্তারিত নাম-পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না।”

ডিবি পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি পাথর দিয়ে আঘাতকারী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। প্রযুক্তির সহায়তায় এবং অন্যান্য গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে ইটবাড়িয়া এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামির দেওয়া তথ্যে আরও একজন পলাতক আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

এ নিয়ে আলোচিত সোহাগ হত্যা মামলায় মোট গ্রেপ্তারকৃত আসামির সংখ্যা দাঁড়াল ৯ জনে। এর আগে, সোমবার (১৪ জুলাই) র‍্যাব-১১ ও র‍্যাব-১০ এর যৌথ অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি এলাকা থেকে মামলার আরেক গুরুত্বপূর্ণ আসামি মো. নান্নু কাজী (৩৩) কে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ৯ জুলাই বিকেলে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে প্রকাশ্যে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে মাথা ও শরীরে বারবার আঘাত করে সোহাগকে হত্যা করা হয়। নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়লে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় নিহত সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালিয়ে একে একে আসামিদের গ্রেপ্তার করছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য করুন