অনলাইন ডেস্ক:
এক সময় রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের ছাড়া স্কোয়াড কল্পনাই করা যেত না। দুই তারকার প্রতিভা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার মতো ক্রিকেটার তখন দলে ছিল না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে।
বর্তমানে তাদের ফর্ম তেমন ভালো নয়। অন্যদিকে তরুণ ক্রিকেটাররা দলে জায়গা করে নিচ্ছেন। ব্যাটিংয়ে বেশি আগ্রাসী মানসিকতা ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে তারা রোহিত-কোহলির চেয়ে এগিয়ে গেছেন। তবে দুই তারকার অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে আইসিসি টুর্নামেন্টে, এখনো দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বিসিসিআই এর কাছে এই পরিস্থিতি মধুর সমস্যার মতো। রোহিত-কোহলির টেস্ট ফর্ম নিম্নমুখী হলেও ওয়ানডে ফরম্যাটে তারা কার্যকর। তবুও তরুণদের জায়গা দিতে হলে তাদের বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে এই দোটানার মূল কারণ। রোহিত ও কোহলি দুজনেরই বয়স হয়েছে—কোহলি ৩৬ আর রোহিত ৩৭। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় তাদের রাখা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অন্যদিকে, তরুণ ব্যাটার যশস্বী জয়সওয়ালের মতো খেলোয়াড়রা দলে জায়গা পাওয়ার দাবি জোরালো করছেন।
ওয়ানডে ফরম্যাটে ওপেনিংয়ে রোহিতের সঙ্গে শুবমান গিলের জুটি দারুণ সফল। গিলের ফর্ম এবং বোঝাপড়া দলের জন্য বড় সম্পদ। জয়সওয়ালকে জায়গা দিতে হলে হয় রোহিতকে জায়গা ছাড়তে হবে, নয়তো গিলকে মিডল-অর্ডারে নামতে হবে। এদিকে কোহলির জায়গাও নিতে পারেন গিল।
ব্যাটিং অর্ডারের পরের দিকে লোকেশ রাহুল এবং ঋষভ পান্ত দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার। ফলে স্কোয়াডে জায়গা নিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়ছে।
শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য অজিত আগারকারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক প্যানেল এবং হেড কোচ গৌতম গম্ভীর কীভাবে দল নির্বাচন করেন, তা নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। রোহিত ও কোহলির অভিজ্ঞতা এবং তরুণদের প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই হবে তাদের মূল চ্যালেঞ্জ।
ভারতীয় ক্রিকেটে এই বিষয়টি ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।











