লালমনিরহাটে চার দিন ধরে শীতের তীব্রতা, গ্রামীণ জীবন বিপর্যস্ত

ফাইল ছবি

জেলা প্রতিনিধি :

টানা চার দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই লালমনিরহাটে। বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি মতো ঝরছে শীতের শিশির, আর ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো জেলা। এই কঠোর শীতের কারণে শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষদের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) লালমনিরহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের তীব্রতা থেকে রেহাই পেতে গ্রামের মানুষরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। ঘন কুয়াশার কারণে সন্ধ্যার পর আরও বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।

এছাড়া, সড়ক ও মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরে চলাচল করছে। ঠান্ডা বাতাসে ঘরে থাকা মানুষদের জন্যও কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষের জন্য। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরতে শুরু করেছে, যা পরিবহন ও অন্যান্য কাজকর্মে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।

কৃষকদের জন্যও শীতের এই প্রভাব বড় ধরনের বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আলু, রসুন ও বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা, কারণ শীত ও কুয়াশা তাদের ফসলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

রংপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজার জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৩ কিলোমিটার।