নিজস্ব প্রতিবেদক:
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ রোববার সকালে রাজধানীর বনানীতে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা খাত বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে জানিয়েছেন, “শিক্ষা খাতের উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ নেয়া হলেও আইনি জটিলতার কারণে অনেক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। বর্তমানে শিক্ষা খাতে প্রায় ৮৩ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই আইনি জটিলতার কারণেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।”
আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, “শিক্ষার্থীদের আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার রোধে স্কুল ইউনিফর্ম ও মিড-ডে মিলসহ নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্যানিটেশন সমস্যার সমাধানেও বিশেষ নজর দেয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “অতীতের সব সময়ের চেয়ে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে, যা মোট বাজেটের ২ শতাংশ। তবে আমাদের ‘লার্নিং আউটকাম’ বা শিক্ষার ফল এখনও সন্তোষজনক নয়। আমরা সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে কাজ করছি। দেশের কোথাও বাল্যবিয়ে বরদাশত করা হবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার ধারাকে এক রেখায় আনতে কাজ চলছে। প্রাথমিক শিক্ষার খরচ কমিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর। দেশের সব স্কুলে প্রি-প্রাইমারি ক্লাস চালু করা হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।
‘আগামী বছরের মধ্যে সরকারিভাবে মিড-ডে মিল, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম, ব্যাগ ও জুতা দেয়া হবে। মানসম্মত শিক্ষা দেয়া হচ্ছে না-এমন দাবি তুলে অভিভাবকরা কিন্ডারগার্টেনের দিকে ঝুঁকছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। এখন থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যয়ের বিপরীতে আউটকাম বা ফলাফল বিবেচনা করা হবে’-উল্লেখ করেন তিনি।











