শ্রীলঙ্কার বাজারে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলো ওয়ালটন

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রীলঙ্কার বাজারে যাত্রা শুরু করেছে। দেশটির রাজধানী কলম্বোর ‘সিনামন লাইফ’ হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই নতুন বাজারে প্রবেশ করে প্রতিষ্ঠানটি। শ্রীলঙ্কাজুড়ে সহস্রাধিক সেলস আউটলেটে এখন থেকে ওয়ালটনের বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিবেশক প্রতিষ্ঠান মনিক ট্রেডিং প্রাইভেট লিমিটেড।

‘গ্র্যান্ড লঞ্চিং অব ওয়ালটন ব্র্যান্ড’ শীর্ষক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

মনিক ট্রেডিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ওয়াসালা মাদুওয়ান্থা আরিয়াপালা

বাংলাদেশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মো. জান্নাতুল হাবিব

শ্রীলঙ্কার জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক থিসারা পেরেরা

ওয়ালটন মাইক্রো-টেক করপোরেশনের সিইও নিশাত তাসনিম শুচি অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ৪০০ পরিবেশক ও ব্যবসায়ী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন,

“আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে ওয়ালটন ইতোমধ্যেই শ্রীলঙ্কার বাজারে পরিচিত একটি নাম হয়ে উঠেছে। এবার পণ্যের সহজলভ্যতার মাধ্যমে আমরা স্থানীয় বাজারে দৃঢ় অবস্থান গড়তে চাই।”তিনি আরও জানান, ওয়ালটন বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপের ৫০টিরও বেশি দেশে ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং এসব বাজারে ক্রমাগত চাহিদা বাড়ছে।

ওয়ালটনের এসি, ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ অন্যান্য পণ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তি, আইওটি (IoT) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI) ফিচার।
বিশ্বের প্রথম ভয়েস কন্ট্রোল রেসিডেন্সিয়াল এসি তৈরি করেছে ওয়ালটন, যা দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এস এম মাহবুবুল আলম বলেন,“পণ্য গবেষণা ও উদ্ভাবনে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ায় স্থাপিত রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (R&I) সেন্টার আমাদের পণ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”মনিক ট্রেডিংয়ের এমডি ড. ওয়াসালা মাদুওয়ান্থা আরিয়াপালা বলেন,“গুণগত মান, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে ওয়ালটন দ্রুতই শ্রীলঙ্কার বাজারে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

বাংলাদেশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন জান্নাতুল হাবিব বলেন,“ওয়ালটনের এই আন্তর্জাতিক বিস্তার শুধু রপ্তানি আয়ই বাড়াবে না, বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও আরও উজ্জ্বল করবে।

”ওয়ালটন মাইক্রো-টেক করপোরেশনের সিইও নিশাত তাসনিম শুচি বলেন,“ওয়ালটনকে একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ডে রূপান্তর করার লক্ষ্যে আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। শ্রীলঙ্কায় এ যাত্রা সেই লক্ষ্য পূরণের পথে বড় একটি ধাপ।”