অনলাইন ডেস্ক:
আগামী ১৫ আগস্ট আলাস্কায় ঐতিহাসিক বৈঠকে বসছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। হোয়াইট হাউসে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর গত ৮ আগস্ট ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। ক্রেমলিন থেকেও বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই বৈঠকে ইউক্রেন সংকটের সম্ভাব্য শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। ট্রাম্প জানান, আলোচনা চলাকালীন ভূখণ্ড বিনিময়ের মতো স্পর্শকাতর প্রস্তাবও টেবিলে আসতে পারে। তিনি বলেন, “উভয়ের কল্যাণে কিছু অঞ্চল অদলবদল হতে পারে।”
তবে বিষয়টি নিয়ে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা বরাবরই দখলকৃত অঞ্চল রাশিয়ার হাতে তুলে দেওয়ার বিপক্ষে। পুতিনের অবস্থানও পরিষ্কার—ক্রিমিয়া, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চল রাশিয়ার অংশ হিসেবেই থাকতে হবে।
আলোচনায় আরও থাকছে—ন্যাটোতে ইউক্রেনের যোগদানের প্রচেষ্টা বন্ধ এবং পশ্চিমা সামরিক সহায়তা হ্রাসের বিষয়।
বৈঠক আয়োজনের জায়গা হিসেবে আলাস্কা বেছে নেওয়ার কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থান। রাশিয়া থেকে মাত্র ৫৫ মাইল দূরে অবস্থিত আলাস্কা একসময় রাশিয়ার অধীনে ছিল এবং বর্তমানেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখযোগ্য বিষয়, পুতিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয়, ফলে আলাস্কায় তার প্রবেশে আইনি কোনো বাধা নেই।
বৈঠকের আগে গত সপ্তাহে ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ মস্কোয় পুতিনের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন, যেখানে যুদ্ধবিরতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়।
এই বৈঠককে ঘিরে বিশ্ব কূটনীতিতে শুরু হয়েছে জল্পনা–কল্পনা, বাড়ছে কৌতূহল ও প্রত্যাশা।











