নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের সকল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর শিক্ষার্থীরা ২৯ এপ্রিল থেকে একযোগে শান্তিপূর্ণ ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যার ফলে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনকারীরা এই কর্মসূচি শুরু করেছেন। শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, তাদের ছয় দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ক্লাস, পরীক্ষা বা একাডেমিক কার্যক্রম চলবে না।
শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে প্রধান প্রধান বিষয়গুলো হলো:
জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০% কোটা বাতিল।
হাইকোর্ট কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত পদোন্নতির রায় বাস্তবায়ন।
২০২১ সালে বিতর্কিতভাবে নিয়োগ পাওয়া ইনস্ট্রাক্টরদের নিয়োগ বাতিল।
কারিগরি শিক্ষায় অভিজ্ঞ না এমন জনবল নিয়োগ বন্ধ এবং উপযুক্ত পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও তাদের জন্য টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
স্বতন্ত্র ‘কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়’ ও একটি ‘কারিগরি শিক্ষা সংস্কার কমিশন’ গঠন।
সরকার ইতোমধ্যে একটি ৮ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যার প্রথম সভা ২৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এই কমিটি গঠনের মাধ্যমে মূল দাবিগুলো উপেক্ষা করা হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা তাদের অবস্থান থেকে একচুলও নড়বেন না বলে জানিয়েছে।
আন্দোলনকারীরা স্পষ্টভাবে বলেছেন, তারা সহিংস নয়, তবে অন্যায় মেনে নেওয়ার মতো দুর্বলও নন। তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাস্তব সংস্কার, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য। আন্দোলনকারীরা বলেন, “আমরা চাই, শিক্ষার মানোন্নয়নের নামে চটকদার স্লোগান নয়, বাস্তব সংস্কার।”










