আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সরকারি কাগজ পেলে ব্যবস্থা নেবে ইসি: সিইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, সরকারিভাবে প্রজ্ঞাপন বা দাপ্তরিক নথিপত্র পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
রবিবার (১১ মে) এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিইসি বলেন, “আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেব। এ বিষয়ে সোমবার (১২ মে) একটি বৈঠক করা হবে।”
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, “পত্রিকা বা টেলিভিশন রিপোর্টের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।”
এর আগে শনিবার রাতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও এর নেতাদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব ধরনের কার্যক্রম, বিশেষ করে সাইবার স্পেসে, নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানান, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, ‘জুলাই আন্দোলন’ সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা এবং ট্রাইব্যুনালের বাদী-সাক্ষীদের সুরক্ষার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এই লক্ষ্যে রোববার অনুমোদন দেওয়া হয় সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়াকে, যার মাধ্যমে সন্ত্রাসে জড়িত ব্যক্তি ও সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর সভাপতিত্বে খসড়া অনুমোদিত হয়।
বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, বিদ্যমান সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এ সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার কোনো নির্দিষ্ট বিধান না থাকায়, সময়োপযোগী সংশোধন এনে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
