কুয়াশায় ৭ ঘন্টাপর ফেরি চলাচল শুরু

ফাইল ছবি

জেলা প্রতিনিধি :

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া এবং আরিচা ও পাবনার কাজিরহাট নৌপথে রবিবার রাতে ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত থেকে ফেরি, লঞ্চসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল, এবং মাঝ নদীতে আটকা পড়া চারটি ফেরিতে শতাধিক যাত্রী ও চালকসহ কয়েকশ মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, রবিবার রাত থেকে পদ্মা ও যমুনা নদী অববাহিকায় কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকে। রাত ১২টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, ফলে মাঝ নদীতে আটকা পড়ে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রহুল আমিন, শাহ পরান, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান এবং ইউটিলিটি ফেরি কপোতী।

পাটুরিয়া ঘাটের ৩ নম্বর ঘাটে কেটাইপ ফেরি কুমিল্লা, ইউটিলিটি ফেরি বনলতা, ৫ নম্বর ঘাটে হাসনা হেনা, রো রো ফেরি ভাষা সৈনিক গোলাম মাওলা ও কেরামত আলী নোঙর করে। একইভাবে, দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ঘাটে কেটাইপ ফেরি বাইগার এবং ৭ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নোঙর করতে বাধ্য হয়। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় শতাধিক যানবাহন দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় অপেক্ষা করতে থাকে।

আরিচা ও কাজিরহাট নৌপথেও রবিবার রাত ১টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মাঝ নদীতে আটকা পড়ে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ হামীদুর রহমান এবং কেটাইপ ফেরি ধানসিড়ি। তবে প্রায় ৬ ঘণ্টা পর কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

রবিবার সকালেও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে কুয়াশার কারণে দুই নৌপথে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। কুয়াশা কেটে গেলে, সোমবার সকাল ৭টার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) নাসির মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, কুয়াশার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। ৭ ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে এবং ৬ ঘণ্টা পর আরিচা-কাজিরহাট রুটে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।