নিজস্ব প্রতিবেদক:
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে সাগর ও উপকূলজুড়ে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে তিন (৩) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রোববার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই লঘুচাপের সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা। আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, এর প্রভাবে গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে, যা ঝড়ো হাওয়ার কারণ হতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে ও গভীর সমুদ্রে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতোমধ্যেই দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি শুরু হয়েছে, যা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী—
বৃষ্টি: খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম বিভাগে অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
ভারী বর্ষণ: খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
তাপমাত্রা: দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
বৃষ্টিপাত পরিমাণ: গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারে।
এছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোতেও ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫–৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে, গত ২৫ জুন বঙ্গোপসাগরে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল, যা পরে স্থলভাগে প্রবেশ করে দুর্বল হয়ে যায়।











