চলতি বছরের অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড’। এটি মার্ভেল স্টুডিওসের নতুন কিস্তি, যা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে। ভ্যালেন্টাইনস ডে এবং প্রেসিডেন্টস ডে উইকএন্ডের উৎসবমুখর সময়ে ছবিটি প্রথম চারদিনেই ১০০ মিলিয়ন ডলার আয়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মার্ভেল স্টুডিওস বরাবরই প্রেসিডেন্টস ডে উইকএন্ডে বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়ে আসছে। ২০১৮ সালে ব্ল্যাক প্যান্থার সিনেমাটি ২৪২.১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছিল। ডেডপুল এবং অ্যান্ট-ম্যান অ্যান্ড দ্য ওয়াস্প: কোয়ান্টামেনিয়াও এই সময়ে বক্স অফিসে বড় সাফল্য দেখিয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, নতুন এই কিস্তিও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
সিনেমাটি ২০১৪ সালের ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: উইন্টার সোলজার’-এর মতো বাস্তবধর্মী গল্পে নির্মিত হয়েছে। এবার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে স্যাম উইলসন, যিনি স্টিভ রজার্সের কাছ থেকে শিল্ড গ্রহণ করেছিলেন। সিনেমাটি ‘দ্য ফ্যালকন অ্যান্ড দ্য উইন্টার সোলজার’ সিরিজের পরবর্তী গল্প নিয়ে নির্মিত। পরিচালনা করেছেন জুলিয়াস ওনাহ।
দর্শকদের আগ্রহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে পৌঁছেছে। ট্র্যাকিং সার্ভিস কুয়েরামের মতে, এটি আসন্ন সিনেমাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশিত। সিনেমাটি বিশেষ করে পুরুষ দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়, তবে ৩৫ বছরের নিচের নারীদের মধ্যেও এটি বিশেষ প্রভাব ফেলেছে। টিকিট বিক্রির আগাম তথ্য অনুসারে, বেশিরভাগ দর্শক থিয়েটারে সিনেমাটি দেখার জন্য প্রস্তুত।
মার্ভেলের নতুন এই সিনেমা তার ফ্যানবেজ এবং সিরিজের দর্শকদের কাছ থেকে শক্তিশালী সমর্থন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্যাম উইলসনের শিল্ড নেওয়ার গল্প এবং এর সঙ্গে যুক্ত নতুন চমক সিনেমাটিকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।











