নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে আসা তিনটি বড় জাহাজে করে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও জেট ফুয়েল পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। ইতোমধ্যে এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, বিপিসি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই সিঙ্গাপুর থেকে আসা ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ জাহাজটি ডলফিন জেটি-৬-এ জেট ফুয়েল খালাস করছে। জাহাজটিতে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন বিমানের জ্বালানি রয়েছে। একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে রওনা হয়ে আসা দুটি জাহাজও বন্দরে পৌঁছায়।
বিপিসি জানায়, ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি লুসিয়া সোলিস’ জাহাজটি প্রায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। বর্তমানে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় তেল খালাস চলছে এবং বুধবার (১৫ এপ্রিল) এটি ডলফিন জেটি-৫-এ ভেড়ার কথা রয়েছে।
এদিকে ডেনমার্কের পতাকাবাহী ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজটি প্রায় ৩২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে মঙ্গলবার রাত থেকেই বহির্নোঙরে খালাস কার্যক্রম শুরু করেছে। বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, “জাহাজটি বহির্নোঙরে আংশিক খালাস শেষে বুধবার ডলফিন জেটি-৬-এ আসবে।”
বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বড় জাহাজগুলো সরাসরি জেটিতে ভেড়াতে না পারায় আগে বহির্নোঙরে এসে আংশিক তেল খালাস করা হয়। এরপর জেটিতে এনে বাকি জ্বালানি নামানো হয়। এতে করে সময় কিছুটা বেশি লাগলেও নিরাপদভাবে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামার মধ্যে বড় পরিমাণ জ্বালানি আমদানি দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে ডিজেল ও জেট ফুয়েলের সরবরাহ ঠিক রাখা পরিবহন ও বিমান চলাচলের জন্য অত্যন্ত জরুরি।











