ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিগগিরই অভিযান, ভবনে জমা পানি পেলেই জরিমানা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযান উদ্বোধন ও জনসচেতনতামূলক র‌্যালি’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বললেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজধানীর আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে শিগগিরই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। কোনো ভবনে বা প্রতিষ্ঠানে জমে থাকা পানি পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।”

 

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “রাজধানীর ২৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এসব এলাকায় এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব অনেক বেশি পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেতনতা কার্যক্রমের পাশাপাশি কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

 

‘প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে। নারকেলের খোসা, ফুলের টব, ছাদের বাগান, অব্যবহৃত টয়লেট, ড্রেন বা অন্য কোনো স্থানে যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে’-উল্লেখ করেন তিনি।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, “আজ থেকে জনসচেতনতামূলক মাইকিং শুরু হবে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে মোবাইল টিম মাঠে নেমে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করবে। কোনো বাড়িতে ঢ়ুকে যদি আমরা ছাদে, ড্রেনে বা বন্ধ ল্যাট্রিনে জমে থাকা পানি পাই, তাহলে সঙ্গে থাকা মোবাইল কোর্ট তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা করবে। জরিমানার পরিমাণও হবে উল্লেখযোগ্য।”

 

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার পরও যদি নাগরিকরা সহযোগিতা না করেন, তাহলে আইন প্রয়োগ ছাড়া সরকারের হাতে অন্য কোনো বিকল্প থাকবে না।”

 

কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ব্যক্তিগতভাবে জরিমানা করা হবে। একইভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু মশার প্রজননের পরিবেশ পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে-যোগ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।