বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন বেগম জিয়া: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ শুক্রবার যশোর উপশহরস্থ সোনালী ব্যাংকের নিজস্ব জমিতে এক হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বললেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন।

 

তাঁর ভাষায়, “১৯৯১ সালে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেন। এরপর থেকে প্রতি বছর এই কর্মসূচির বিস্তার লাভ করেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কথা বলেন।”

 

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, শুধু গাছ লাগলে হবে না, তার যথাযথ পরিচর্যা করতে হবে।

 

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। স্কুলপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সরকারি বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বৃক্ষরোপণ করছে।’

 

সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই বৃক্ষরোপণের প্রকৃত সুফল পাওয়া যাবে।’

 

বক্তব্য শেষে একটি ফলদ গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

 

সোনালী ব্যাংক জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস যশোর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে।

 

সোনালী ব্যাংক যশোর অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার ইকবাল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক, সোনালী ব্যাংক যশোর করপোরেট শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মনিরুল ইসলাম, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মশিয়ার রহমান, জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন সোনালী ব্যাংক যশোর অঞ্চলের সভাপতি দবীর উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রাজীবসহ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।