কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আজ শনিবার দুপুরে সিলেট সদরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ এবং রাজারগাঁও জামিয়ুল উলুম মাদ্রাসা বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, “দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।”

 

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ, কৃষি, সেচ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”

 

‘সিলেট বিভাগের বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন, নতুন রাস্তা নির্মাণ, প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং টিউবওয়েল স্থাপনের জন্য প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়া দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আরও প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে’-উল্লেখ করেন তিনি।

 

সেচ ও কৃষি উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সাময়িক জলাবদ্ধতা ও সেচের পানির অভাবে যেসব জমি অনাবাদি থাকে, সেগুলোকে চাষাবাদের আওতায় আনতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করছে। খাল খনন কর্মসূচিকে আরও জোরদার করে সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে সিলেটের কৃষিজমিতে সারা বছর চাষাবাদ সম্ভব হয়।

 

চলমান সরকারি সহায়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রায় দুই হাজার উপকারভোগীর প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে চাল এবং প্রায় ৭০০ জনকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নবনির্মিত রাজারগাঁও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রটি তিনতলা বিশিষ্ট হবে, যা সাধারণ সময়ে মাদ্রাসা হিসেবে এবং দুর্যোগকালে নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সব সুবিধাসহ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।