জেলা প্রতিনিধি:
কক্সবাজার শহরের ঝাউতলাস্থ রেনেসাঁ হোটেলের মদের বারে মদ্যপান ও বাকবিতণ্ডার জেরে ভাঙা বোতলের আঘাতে রাশেদ নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে সোলাইমান ওরফে সালমানকে লোকজন মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎধীন অবস্থায় ওই যুবকেরও মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন নাজিবুল হক রাশেদ ও সালমান। রাশেদ শহরের নুনিয়ারছড়া ও সালমান বিজিবি ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা। বার কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নিহত রাশেদ, সালামান, রাদিসহ কয়েকজন যুবক বারে বসে মদ পান করছিলেন। এ সময় হঠাৎ নিজেদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। পরে হামলাকারীরা বাইরে থেকে আরও কয়েকজন যুবককে ডেকে নেন। তারা দোতলার বারে প্রবেশ করে রাশেদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই রাশেদ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
খবর পেয়ে রাশেদের স্বজনরা হামলাকারী বিজিবি ক্যাম্প এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে সালমানকে আটক করে ফিশারি ঘাট এলাকায় নিয়ে যায়। পরে সালমানকে গণপিটুনি দিয়ে কক্সবাজার মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পুলিশ গুরুতর আহত সালমানকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক সালমানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। সেখানে শুক্রবার (২৮) ভোরে সালমান মারা যান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ইয়াবা লুটের ঘটনায় কক্সবাজারের রাদি ও সালমানের নেতৃত্বে রাশেদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে হামলায় সালমান আহত হয়ে পরে মারা যান। ঘটনার পরপরই রাদি পলাতক রয়েছে। রাদি এলাকায় কিশোর গ্যাং লিডার হিসেবে পরিচিত।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. অহিদুর রহমান বলেন, হোটেলের বারের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজগুলো পর্যালোচনা করে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।











