নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলমান খাদ্য কর্মসূচির খাবারের সঠিক মান ও পুষ্টি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। এর ব্যত্যয় হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) কমিটির সভাপতি মাহমুদা হাবিবার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা উপস্থাপিত বিষয়ের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করে দেশের সব শিশুর প্রাথমিক বিদ্যালায়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির সুপারিশ করে। পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সব শূন্য পদ দ্রুত পূরণের জন্য সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট, প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিটের খাতভিত্তিক বাজেট ও ব্যয় বিভাজন নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছরে খাতভিত্তিক বিভাজন ও ব্যয় পরিকল্পনা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে তুলে ধরা হয় হয়।
বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত বাজেট যাতে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সে বিষয়ে সুপারিশ করে কমিটি।
প্রাথমিক শিক্ষা লেভেলে নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে চালু করার জন্যও কমিটির পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া কমিটির পক্ষ থেকে সব সদস্যকে প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু থাকা অবস্থায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত দিয়ে বৈঠক শুরুর পর কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, লুৎফর রহমান খান আজাদ, মো. আব্দুস সালাম, মো. সাদিক রিয়াজ, মো. ইলিয়াস মোল্লা, মো. মোক্তার আলী ও মাহফুজা হান্নান অংশ নেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও জাতীয় সংসদ সচিবালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।











