অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন করে প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও দ্রুত করার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বিশেষ করে চিকিৎসাপ্রত্যাশী রোগীদের জন্য দ্রুত ভিসা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে বলে জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন কার্যালয়ে ‘ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ’ (ইমক্যাব)-এর এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইমক্যাব সভাপতি শাহীন চৌধুরীর নেতৃত্বে সংগঠনের ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলটি সকাল সাড়ে ১১টায় বারিধারার সম্মেলনকক্ষে এ বৈঠকে অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহসহ নির্বাহী কমিটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনাকালে বাংলাদেশি ভ্রমণার্থী ও রোগীদের ভারতীয় ভিসা পেতে যেসব প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়, তা তুলে ধরেন ইমক্যাব নেতারা। বিশেষ করে অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার পর সরাসরি কাগজপত্র দাখিলের অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট পেতে দীর্ঘসূত্রীতা এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা নিতে ইচ্ছুক আবেদনকারীদের দুর্ভোগের বিষয়টি তারা বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন।
প্রতিনিধিদলের বক্তব্য শোনার পর ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘ভিসাপ্রাপ্তিতে যেসব সমস্যা হচ্ছে, তা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি। বিশেষ করে যারা চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে চান, তারা যাতে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই সহজে ভিসা পেতে পারেন, সেজন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
অনলাইনে ফরম পূরণের পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট পেতে কেন বিলম্ব হচ্ছে—হাইকমিশন তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে দ্রুতই এই সমস্যার সুরাহা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও যাতায়াত যত বাড়বে, দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ততই সুদৃঢ় হবে।’
অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে হাইকমিশনার প্রতিনিধিদলের প্রত্যেক সদস্যের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব গোকুল ভি কে এবং ইমক্যাবের জ্যেষ্ঠ সদস্য বাসুদেব ধর, কুদ্দুস আফ্রাদ, মীর আফরোজ জামান, আবু আলী, আমিনুল হক ভূঁইয়া, নির্মল চক্রবর্তী, জাকির হোসেন ও মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।











