নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রেস উইং ভারতের সংবাদপত্র দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশের অভিযোগ এনেছে। সরকার দাবি করেছে, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা গত শুক্রবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের বক্তব্যের ভিত্তিতে কয়েকটি মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা এবং গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে।
প্রেস উইং জানিয়েছে, এসব প্রতিবেদন পরিকল্পিত প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে এবং এসব প্রতিবেদন গঠনে সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিগুলি উপেক্ষা করা হয়েছে। বিশেষ করে, “গোপনে বাংলা আওয়ামী শীর্ষ নেতারা হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করছে, তারা ‘আইনের শাসন’ ফিরে আসার অপেক্ষায়” শীর্ষক প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রেস উইং দাবি করেছে, এটি ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।
তারা আরও বলেছে যে, বাংলাদেশের আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছে, যেমন সাবেক আওয়ামী লীগ মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং এম এ মান্নানসহ কয়েকজন নেতাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে দেশে ফিরে আসার ঘোষণার পরও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ দায়ের করেছে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে আইনের শাসন ছিল না, যার ফলে হাজার হাজার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম এবং দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছিল। শ্বেতপত্রে এই ভয়াবহ দুর্নীতির দলিল উল্লেখ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণআন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকারের নৃশংস হামলায় এক হাজারেরও বেশি তরুণ প্রতিবাদকারী নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই আন্দোলন সরকার পতনের দিকে নিয়ে যায়, এবং এতে যুক্ত সাবেক এমপিদের মধ্যে কয়েকজন শামিল ছিলেন।
এছাড়াও, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা কোনো বাংলাদেশের সরকারি মন্তব্য ছাড়াই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব প্রতিবেদন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত প্রচারণার একটি অংশ।











