নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর সংশোধনী চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নবম কমিশন সভায় উপস্থিত ছিলেন চার নির্বাচন কমিশনার—আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সভায় আরও অংশ নেন ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
সভায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধিমালা এবং আরপিও সংশোধনের খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়। ইসি সচিব জানিয়েছেন, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে রয়েছে কমিশন।
ইসি সূত্র বলছে, সংশোধনীতে প্রায় ৩০টির মতো পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের সুযোগ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর অপব্যবহার রোধে আচরণবিধিতে নতুন বিধিনিষেধ
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করার পদক্ষেপ
প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত হলে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ উইংয়ে পাঠানো হবে ভেটিংয়ের জন্য। সেখান থেকে অনুমোদন পেলে উপদেষ্টা পরিষদে তা উপস্থাপন করে অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে।
ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা, সীমানা আইন, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, বিদেশি ও স্থানীয় পর্যবেক্ষক, গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট অংশীদের জন্য নতুন নীতিমালাও প্রকাশ করেছে ইসি। আরও কয়েকটি আইন ও বিধিমালা সংশোধনের অপেক্ষায় রয়েছে মন্ত্রণালয় ভেটিংয়ের।
এর আগে, ৬ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে ইসিকে নির্বাচন প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোটগ্রহণ শেষ করতে হবে। সিইসি ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ডিসেম্বরের শেষদিকে তফসিল ঘোষণা করে রমজান শুরু হওয়ার আগেই ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।











