অনলাইন ডেস্ক:
ভারতীয় রুপির দাম মার্কিন ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে ৮৬ ভারতীয় রুপি পাওয়া যাচ্ছে। গতকাল সোমবার রুপির দাম শূন্য দশমিক চার শতাংশ কমে ৮৬.৩৯ এ পৌঁছায়, যা এশিয়ার মুদ্রার ব্যাপক দরপতনের ধারাবাহিকতায় ঘটেছে।
মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে এক লাখ ৬০ হাজার প্রত্যাশার বিপরীতে দুই লাখ ৫৬ হাজার চাকরিতে যোগদান করেছেন। এটির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে, যা ডলারকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে এবং রুপিসহ অন্যান্য মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেবা ও উৎপাদন খাতের শক্তিশালী কর্মক্ষমতা বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতাকে আরও একবার প্রমাণ করেছে।
এছাড়া, ফেডারেল রিজার্ভের কাছ থেকে দ্রুত সুদের হার কমানোর আশাগুলো ক্ষীণ হয়ে গেছে, যা ডলারকে শক্তিশালী করেছে এবং রুপির দুর্বলতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, রুপির পতনের আরেক প্রধান কারণ হচ্ছে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিক বিক্রি। কেবল এই মাসেই বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি তুলে নিয়েছেন, যা গত প্রান্তিকে ১১ বিলিয়ন ডলার তুলে নেওয়ার ধারাবাহিকতা। মার্কিন আর্থিক নীতি নিয়ে উদ্বেগ এবং নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পিত নীতিগুলো ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে রুপির ওপর নেতিবাচক প্রভাব বাড়ছে।
রুপির নিম্নমুখী প্রবণতা তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে, এবং এই সময়ের মধ্যে আরও বাড়তি অস্থিরতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।











