অনলাইন ডেস্ক:
স্বদেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়ার পর ভারতসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা দেশে তাদের স্বৈরাচারী শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গোপনে নানা কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে একটি গোপন বৈঠকে মিলিত হন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং শীর্ষ অর্থলগ্নিকারী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ।
বৈঠকটিতে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় বলে গোয়েন্দা সূত্র দাবি করেছে। সূত্রমতে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনাকে ২৫০০ কোটি টাকা হস্তান্তর করেছেন এস আলম এবং ভবিষ্যতে আরও দুই হাজার কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, এই গোপন বৈঠক আয়োজনের আগে এস আলম সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনা সফর করেন। খবর অনুযায়ী, পবিত্র উমরাহ্র ছুতোয় তিনি মক্কার একটি হোটেলে দেশ থেকে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের পলাতক নেতার সাথে দেখা করেন এবং দেশবিরোধী পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। এরপর ৬ আগস্ট তিনি দুবাই হয়ে দিল্লি পৌঁছান।
৮ আগস্ট নয়া দিল্লির একটি পাঁচতারকা হোটেল থেকে এস আলমকে একটি নম্বরবিহীন গাড়িতে করে শেখ হাসিনার বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাদের মধ্যে আলোচনা চলে। খবর বলা হয়, আলোচনায় বাংলাদেশে সৃষ্টি করা হবে এমন অরাজক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক লবিং, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কিনে নেওয়া এবং শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির মতো বিষয়গুলোই মূল বিষয় ছিল।
এছাড়াও এই অর্থ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব আওয়ামী লীগের পলাতক নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে বলেও সূত্রে জানা গেছে।
—সূত্র : আমার দেশ











