অনলাইন ডেস্ক:
দেশের আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির তার স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনার পর থেকেই স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সাম্প্রতিক এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন তিনি।
বর্তমান অবস্থার বর্ণনা দিয়ে সালমান মুক্তাদির জানান, তিনি অত্যন্ত করুণ একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং বর্তমানে একটি বড় বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এই পুরো বিষয়টি নিয়ে তার কোনো ধরনের আক্ষেপ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। সেই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আর কোনো ধরনের বিনিয়োগ না করার বড় ঘোষণা দিয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ে আলাপকালে সালমান বলেন, জীবনের ভালো সময়গুলো উপভোগ করতে চাইলে খারাপ সময়টাকেও স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে হবে। কেবল অভিযোগ করে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না, বরং যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি সফলভাবে পেরিয়ে যাওয়াই হলো আসল কথা। বর্তমান এই সংকটের মুহূর্তে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা যে কতটা অত্যন্ত জরুরি, সে বিষয়টিও তিনি জোরালোভাবে স্মরণ করিয়ে দেন।
নিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ ও চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে মুখ খুলে সালমান বলেন, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটার পর তাকে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার কিংবা গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার ন্যূনতম কোনো সুযোগই দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, যারা মূলত তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন, তারা যদি বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখোমুখি বসে কথা বলতেন, তবে সহজেই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হতো। কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই ঢালাওভাবে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এই ধরনের কঠিন পরিস্থিতি একা সামলে নেওয়ার মতো যথেষ্ট মানসিক শক্তি আমার নিজের রয়েছে, কিন্তু সমাজের অনেকের পক্ষেই তা সবসময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট অভিযোগের কারণে বহু মানুষের অমূল্য প্রাণ, সুদীর্ঘকালের সুনাম ও সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার চিরতরে ধ্বংস হয়ে যায়।











